শুক্রবার ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মেনু
×

নতুন বছরের শুরুতেই যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:৪৬ এএম
২০২৫ সালের শুরুতে কিছু ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। মূলত পুরোনো অপারেটিং সিস্টেম, ফোনের হার্ডওয়্যারের সীমাবদ্ধতা, নতুন ফিচার, নিরাপত্তা আপডেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা।
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ
স্যামসাং: Galaxy S3, Galaxy Note 2, Galaxy Ace 3, Galaxy S4 Mini
সনি: Xperia Z, Xperia SP, Xperia T, Xperia V
মোটোরোল: Moto G (1st Gen), Razr HD, Moto E 2014
এইচটিসি: One X, One X+, Desire 500, Desire 601
এলজি: Optimus G, Nexus 4, G2 Mini, L90

Copied from: https://www.rtvonline.com/others/305962

করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ করার তাগিদ

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:০০ এএম
করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ করার তাগিদ
দেশের স্টার্টআপ খাতে গত এক দশকে প্রায় ৯৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। করোনাকালে পরপর দুই বছর এ খাতের বিনিয়োগে বেশ উঠতি প্রবণতা দেখা যায়। তবে পরের বছরগুলোয় ধারাবাহিকভাবে তা কমে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্টার্টআপে বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের আর্থিক নীতি সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

দেশীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স গত বছরের নভেম্বরে ‘বাংলাদেশের স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রতিবেদন: এক দশকের পর্যালোচনা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশের স্টার্টআপে ১১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ এসেছে। এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ৯২ শতাংশ।
দেশের স্টার্টআপ খাতে গত এক দশকে প্রায় ৯৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। করোনাকালে পরপর দুই বছর এ খাতের বিনিয়োগে বেশ উঠতি প্রবণতা দেখা যায়। তবে পরের বছরগুলোয় ধারাবাহিকভাবে তা কমে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্টার্টআপে বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের আর্থিক নীতি সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

দেশীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স গত বছরের নভেম্বরে ‘বাংলাদেশের স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রতিবেদন: এক দশকের পর্যালোচনা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশের স্টার্টআপে ১১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ এসেছে। এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ৯২ শতাংশ।

সরকারের পাওনা ১২৬ কোটি টাকা, ফাঁকি দিতে অভাবনীয় জালিয়াতি ওসমান পরিবারের

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:৫৮ এএম
সরকারের পাওনা ১২৬ কোটি টাকা, ফাঁকি দিতে অভাবনীয় জালিয়াতি ওসমান পরিবারের
রাজধানীর ফকিরাপুলের ডিআইটি রোডের একটি ভবনে ছোট একটি কক্ষে সাখাওয়াত হোসেনের ট্রাভেল এজেন্সির কার্যালয়। আসবাব বলতে শুধু একটি টেবিল ও তিনটি চেয়ার। ভাড়া ছয় হাজার টাকা। সাখাওয়াত ফকিরাপুলেই একটি মেসে থাকেন।

যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নথিপত্রে সাখাওয়াত কে টেলিকম নামের (পরে ইন্টারন্যাশনাল ভয়েস টেল লিমিটেড নামকরণ হয়) একটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউ কোম্পানির অংশীদার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

রাজধানীর ফকিরাপুলের ডিআইটি রোডের একটি ভবনে ছোট একটি কক্ষে সাখাওয়াত হোসেনের ট্রাভেল এজেন্সির কার্যালয়। আসবাব বলতে শুধু একটি টেবিল ও তিনটি চেয়ার। ভাড়া ছয় হাজার টাকা। সাখাওয়াত ফকিরাপুলেই একটি মেসে থাকেন।

যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নথিপত্রে সাখাওয়াত কে টেলিকম নামের (পরে ইন্টারন্যাশনাল ভয়েস টেল লিমিটেড নামকরণ হয়) একটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউ কোম্পানির অংশীদার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।
রাজধানীর ফকিরাপুলের ডিআইটি রোডের একটি ভবনে ছোট একটি কক্ষে সাখাওয়াত হোসেনের ট্রাভেল এজেন্সির কার্যালয়। আসবাব বলতে শুধু একটি টেবিল ও তিনটি চেয়ার। ভাড়া ছয় হাজার টাকা। সাখাওয়াত ফকিরাপুলেই একটি মেসে থাকেন।

যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নথিপত্রে সাখাওয়াত কে টেলিকম নামের (পরে ইন্টারন্যাশনাল ভয়েস টেল লিমিটেড নামকরণ হয়) একটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউ কোম্পানির অংশীদার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:০৭ পিএম
নিবন্ধনের মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত যাচাই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) করা চুক্তি বাতিল হয়েছে।গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) চুক্তিটি বাতিল করা হয় বলে আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইসি সচিবালয়।

ইসি সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে বিসিসি। চুক্তি অনুযায়ী প্রযোজ্য ফি বা চার্জ নির্ধারিত সময়ে বিসিসি পরিশোধ করেনি। তাই ইসির সঙ্গে বিসিসির চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে।
নিবন্ধনের মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত যাচাই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) করা চুক্তি বাতিল হয়েছে।

গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) চুক্তিটি বাতিল করা হয় বলে আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইসি সচিবালয়।

ইসি সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে বিসিসি। চুক্তি অনুযায়ী প্রযোজ্য ফি বা চার্জ নির্ধারিত সময়ে বিসিসি পরিশোধ করেনি। তাই ইসির সঙ্গে বিসিসির চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:০৫ পিএম
বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যতে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে।

আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিডা।

বিডা জানিয়েছে, টাস্কফোর্সের কাজ হবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাৎক্ষণিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা, নীতি ও দক্ষতার ঘাটতি দূর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে অবকাঠামো ও প্রণোদনা কাঠামো প্রস্তাব করা। এ জন্য টাস্কফোর্স সুনির্দিষ্টভাবে সেমিকন্ডাক্টর খাতের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যতে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করবে।বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যতে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে।

আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিডা।

বিডা জানিয়েছে, টাস্কফোর্সের কাজ হবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাৎক্ষণিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা, নীতি ও দক্ষতার ঘাটতি দূর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে অবকাঠামো ও প্রণোদনা কাঠামো প্রস্তাব করা। এ জন্য টাস্কফোর্স সুনির্দিষ্টভাবে সেমিকন্ডাক্টর খাতের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যতে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করবে।

করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ করার তাগিদ

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:০২ পিএম
দেশের স্টার্টআপ খাতে গত এক দশকে প্রায় ৯৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। করোনাকালে পরপর দুই বছর এ খাতের বিনিয়োগে বেশ উঠতি প্রবণতা দেখা যায়। তবে পরের বছরগুলোয় ধারাবাহিকভাবে তা কমে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্টার্টআপে বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের আর্থিক নীতি সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

দেশীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স গত বছরের নভেম্বরে ‘বাংলাদেশের স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রতিবেদন: এক দশকের পর্যালোচনা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশের স্টার্টআপে ১১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ এসেছে। এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ৯২ শতাংশ।দেশের স্টার্টআপ খাতে গত এক দশকে প্রায় ৯৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। করোনাকালে পরপর দুই বছর এ খাতের বিনিয়োগে বেশ উঠতি প্রবণতা দেখা যায়। তবে পরের বছরগুলোয় ধারাবাহিকভাবে তা কমে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্টার্টআপে বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের আর্থিক নীতি সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

দেশীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স গত বছরের নভেম্বরে ‘বাংলাদেশের স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রতিবেদন: এক দশকের পর্যালোচনা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশের স্টার্টআপে ১১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ এসেছে। এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ৯২ শতাংশ।

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:০০ পিএম
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকারের তিন মন্ত্রণালয়। এ প্রশিক্ষণে এরই মধ্যে হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। যদিও সরকারের এক গবেষণাই বলছে, বাজারের চাহিদার সঙ্গে এই প্রশিক্ষণের বিস্তর ফারাক রয়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় দক্ষতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ; আয়েও রয়েছে পিছিয়ে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিবছরই বলা হতো, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা লাখ লাখ বাড়ছে। প্রায়ই নেওয়া হতো নানা প্রকল্প। ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে অন্তত হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (নেকটার) এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরও ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে আসছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সরকারের এই প্রশিক্ষণ ও অর্থ ব্যয়কে অনেকটাই অপচয় বলছেন। তাঁরা পুরোনো সিলেবাসে প্রশিক্ষণ, বাজারের চাহিদা না বোঝা; যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের প্রশিক্ষণ না দেওয়া; প্রশিক্ষণ উদ্যোগে অংশীজনদের যুক্ত না করা এবং প্রশিক্ষকদের পর্যবেক্ষণে না রাখার বিষয়কে মূল সমস্যা হিসেবে তুলে ধরছেন।

আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রয়োজনীয়তা আছে। তবে দক্ষতা বৃদ্ধিতে এখন মনোযোগ দিতে হবে। এ জন্য আইসিটি বিভাগ সামনের কাজগুলোতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করবে।