শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মেনু
×

বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৩৯ পিএম
সারি সারি আমগাছের মাথায় এসে পড়েছে শীতের নরম রোদ। বিশাল মাঠের সবুজ ঘাসগুলোতে হলদেটে ভাব। মাঠেই শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট জটলা। চলছে হাসাহাসি, কথা, গল্প আর খুনসুটি। এককোনায় কেক কেটে বন্ধুর জন্মদিন উদ্‌যাপন করছে একটা দল।

৭ জানুয়ারি দুপুরে খুলনার সরকারি ব্রজলাল কলেজমাঠের কয়েকটি খণ্ডচিত্র। মাঠের পাশ দিয়ে শহীদ মিনারের পাশের বকুল চত্বরের দিকে চলে যাই আমরা। এদিকটায় কলেজের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কর্মীদের আড্ডা আর অনুশীলনকেন্দ্র। একটি কক্ষে আবৃত্তি দলের কর্মীরা উচ্চারণ অনুশীলন করছেন। পাশের কক্ষে যুক্তি আর পাল্টা যুক্তি উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে চলছে বিতর্কের মহড়া। অংশ নিয়েছেন ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যরা। ২০১২ সালে তৈরি হওয়া এই ডিবেটিং ক্লাব শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। রবি, মঙ্গল আর বৃহস্পতি—সপ্তাহে তিন দিন হয় বিতর্ক অনুশীলন। সোমবার পাঠচক্র।

ডিবেটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইলমী জানালেন, ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যসংখ্যা এখন ১০০ জনের ওপর। জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ভালো করার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজনের অভিজ্ঞতাও তাঁদের আছে। চলতি বছর একটি জাতীয় ও একটি আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।সারি সারি আমগাছের মাথায় এসে পড়েছে শীতের নরম রোদ। বিশাল মাঠের সবুজ ঘাসগুলোতে হলদেটে ভাব। মাঠেই শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট জটলা। চলছে হাসাহাসি, কথা, গল্প আর খুনসুটি। এককোনায় কেক কেটে বন্ধুর জন্মদিন উদ্‌যাপন করছে একটা দল।

৭ জানুয়ারি দুপুরে খুলনার সরকারি ব্রজলাল কলেজমাঠের কয়েকটি খণ্ডচিত্র। মাঠের পাশ দিয়ে শহীদ মিনারের পাশের বকুল চত্বরের দিকে চলে যাই আমরা। এদিকটায় কলেজের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কর্মীদের আড্ডা আর অনুশীলনকেন্দ্র। একটি কক্ষে আবৃত্তি দলের কর্মীরা উচ্চারণ অনুশীলন করছেন। পাশের কক্ষে যুক্তি আর পাল্টা যুক্তি উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে চলছে বিতর্কের মহড়া। অংশ নিয়েছেন ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যরা। ২০১২ সালে তৈরি হওয়া এই ডিবেটিং ক্লাব শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। রবি, মঙ্গল আর বৃহস্পতি—সপ্তাহে তিন দিন হয় বিতর্ক অনুশীলন। সোমবার পাঠচক্র।

ডিবেটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইলমী জানালেন, ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যসংখ্যা এখন ১০০ জনের ওপর। জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ভালো করার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজনের অভিজ্ঞতাও তাঁদের আছে। চলতি বছর একটি জাতীয় ও একটি আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪৩ পিএম
প্রায় আড়াই মাস উপাচার্যহীন ছিল চুয়েট। দীর্ঘ সময় উপাচার্য না থাকায় একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট সভা, নিয়োগ, পদোন্নতি, প্রকল্পের কাজসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। গত ৩০ অক্টোবর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সেগুলো সচলে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদের ওপর হামলাকারী ও ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনাকারী ছাত্রলীগের সদস্যের শাস্তির আওতায় আনার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। মাদক ও র‍্যাগিং নামক ব্যাধি নির্মূলে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। হলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হল প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরাও আমাদের সহায়তা করছেন।প্রায় আড়াই মাস উপাচার্যহীন ছিল চুয়েট। দীর্ঘ সময় উপাচার্য না থাকায় একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট সভা, নিয়োগ, পদোন্নতি, প্রকল্পের কাজসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। গত ৩০ অক্টোবর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সেগুলো সচলে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদের ওপর হামলাকারী ও ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনাকারী ছাত্রলীগের সদস্যের শাস্তির আওতায় আনার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। মাদক ও র‍্যাগিং নামক ব্যাধি নির্মূলে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। হলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হল প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরাও আমাদের সহায়তা করছেন।

এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪২ পিএম
ব্যাংক, আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, অটোমোবাইল কোম্পানি, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, টেলিকম, তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, হোটেল, ইলেকট্রনিকস, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠান চাকরি মেলায়  অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আবদুল মোনেম লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, নাভানা, পাঠাও লিমিটেড, ক্রাউন সিমেন্ট, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, এপেক্স, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড, লে মেরিডিয়ান ঢাকা, হোটেল রেনেসাঁ ঢাকা, আরএফএল গ্রুপ, রবি আজিয়াটা, ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান। 

এ ছাড়া এআইইউবির অ্যালামনাই সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।ব্যাংক, আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, অটোমোবাইল কোম্পানি, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, টেলিকম, তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, হোটেল, ইলেকট্রনিকস, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠান চাকরি মেলায়  অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আবদুল মোনেম লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, নাভানা, পাঠাও লিমিটেড, ক্রাউন সিমেন্ট, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, এপেক্স, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড, লে মেরিডিয়ান ঢাকা, হোটেল রেনেসাঁ ঢাকা, আরএফএল গ্রুপ, রবি আজিয়াটা, ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া এআইইউবির অ্যালামনাই সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪১ পিএম
গেস্টরুম থেকে ক্যানটিন, কেটেছে আতঙ্ক; বদলে গেছে ডাইনিংয়ের খাবারের স্বাদ। তিন মাস আগেও চিত্রটা এমন ছিল না। র‍্যাগিং, ছাত্রলীগ নেতাদের দাপট, হলের সিট দখল, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক হিংস্রতা ছিল সাধারণ চিত্র। 

৫ আগস্টের পর থেকেই ধীরে ধীরে কমে যায় ছাত্রসংগঠনগুলোর দাপট। ঢাকা থেকে রাজশাহী, চট্টগ্রাম কিংবা ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিবেশেও আসতে থাকে পরিবর্তন।আবাসিক হলগুলোর আসন বণ্টনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। প্রায় সব ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। হলের সিট বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় এসেছে স্বচ্ছতা। ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গেস্টরুম’ ছিল নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম।

 সেই সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন এসেছে ।গেস্টরুম থেকে ক্যানটিন, কেটেছে আতঙ্ক; বদলে গেছে ডাইনিংয়ের খাবারের স্বাদ। তিন মাস আগেও চিত্রটা এমন ছিল না। র‍্যাগিং, ছাত্রলীগ নেতাদের দাপট, হলের সিট দখল, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক হিংস্রতা ছিল সাধারণ চিত্র। ৫ আগস্টের পর থেকেই ধীরে ধীরে কমে যায় ছাত্রসংগঠনগুলোর দাপট। ঢাকা থেকে রাজশাহী, চট্টগ্রাম কিংবা ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিবেশেও আসতে থাকে পরিবর্তন।আবাসিক হলগুলোর আসন বণ্টনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। প্রায় সব ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। হলের সিট বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় এসেছে স্বচ্ছতা। ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গেস্টরুম’ ছিল নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সেই সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন এসেছে ।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদল

রেডিও বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:৩২ পিএম
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতি’ (গোপন ছাত্ররাজনীতি) নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে ছাত্রদল। তারা বলছে, বাংলাদেশে আর আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির কোনো বাস্তবতা নেই। তারপরও কোনো ছাত্রসংগঠন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকলে মনে করা হবে, তারা একাত্তরের মতো আবারও বড় কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে ছাত্রদলের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ শীর্ষক কর্মসূচিতে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসব কথা বলেন নেতারা। ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ কর্তৃক সংঘটিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যথাযথ বিচার, সন্ত্রাসীদের সাজা নিশ্চিত করা এবং ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে ভূমিকা পালনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে’ এই কর্মসূচি করেছে ছাত্রদল।

মিছিলপরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আজকের এই কর্মসূচি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।’
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতি’ (গোপন ছাত্ররাজনীতি) নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে ছাত্রদল। তারা বলছে, বাংলাদেশে আর আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির কোনো বাস্তবতা নেই। তারপরও কোনো ছাত্রসংগঠন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকলে মনে করা হবে, তারা একাত্তরের মতো আবারও বড় কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে ছাত্রদলের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ শীর্ষক কর্মসূচিতে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসব কথা বলেন নেতারা। ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ কর্তৃক সংঘটিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যথাযথ বিচার, সন্ত্রাসীদের সাজা নিশ্চিত করা এবং ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে ভূমিকা পালনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে’ এই কর্মসূচি করেছে ছাত্রদল।

মিছিলপরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আজকের এই কর্মসূচি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।’